বিক্রির সঙ্গে হিসাবও হয়ে যায়।

খাতায় যা লেখেন, সেটুকুই থাকে। Shopkeeper প্রতিটি বিক্রির সঙ্গে মজুত, ক্যাশবাক্স ও খরচ মিলিয়ে রাখে।

ডেমো দেখুন

পুরো দোকানের কাজ।
দোকান, পণ্য ও ক্রেতার হিসাব একসঙ্গে।

বিক্রি শুধু একটি ধাপ। তার আগের কাজ আর পরের দায়দায়িত্বও Shopkeeper-এ গুছিয়ে থাকে।

দোকানদারের সারাদিন

দোকানের প্রাথমিক তথ্য দেওয়া থেকে দিনের হিসাব মেলানো—প্রতিটি কাজের হিসাব এক জায়গায় রাখুন।

  1. দোকানের শুরুটা গুছান

    পণ্য, শুরুর মজুত ও ক্রেতা যোগ করুন। কর্মীর অনুমতি ও ভ্যাটের নিয়ম দেখুন। CSV থেকে আনা পরীক্ষামূলক; আগের বাকির জের আনা এখনো চালু হয়নি।

    কাজটি যেভাবে হয় ↗
  2. দোকান খুলুন, বিক্রি করুন

    নগদ টাকা গুনে নিন, কাউন্টারে বিক্রি করুন, খোলা মাল ওজনে দিন। নগদ টাকা, বিকাশ, নগদ (Nagad) বা কার্ডে দাম নিন।

    কাজটি যেভাবে হয় ↗
  3. সারাদিনের কাজ সামলান

    মাল নিন, প্যাক করা অর্ডার মেলান, খরচ লিখুন আর আপনার অনুমতি লাগবে এমন অনুরোধ দেখুন।

    কাজটি যেভাবে হয় ↗
  4. হিসাব বুঝে দিন শেষ করুন

    নগদ টাকা গুনে হিসাবের সঙ্গে মেলান। গরমিল থাকলে কারণ লিখে দিনের হিসাব শেষ করুন। বিক্রি, লাভ, বাকি ও টাকা নেওয়ার প্রতিটি মাধ্যমের হিসাব দেখুন।

    কাজটি যেভাবে হয় ↗

মাল কেনা থেকে বিক্রি পর্যন্ত

কী এলো, আসলে কত পড়ল, কী বিক্রি হলো, আবার কী তুলতে হবে—জানুন।

  1. কেনা ও মাল তোলা

    আসা মাল, ফ্রি পণ্য, ভাড়া ও সরবরাহকারীর ছাড় লিখুন। এগুলো দিয়ে গড় কেনা দাম হিসাব হয়।

    কাজটি যেভাবে হয় ↗
  2. মজুত ও দাম

    পণ্য, ব্র্যান্ড ও প্যাক একসঙ্গে রাখুন। বস্তা আর খোলা মজুত দেখুন; লাভ কমলে প্রস্তাবিত দাম দেখে নিন।

    কাজটি যেভাবে হয় ↗
  3. বিক্রি ও অর্ডারের মাল দেওয়া

    পিস, ওজন বা টাকার অঙ্কে বিক্রি করুন। অর্ডার প্যাক ও যাচাই করুন; তৈরি অংশ বিক্রি করে বাকিটা পরে দেওয়ার জন্য রাখুন।

    কাজটি যেভাবে হয় ↗
  4. ফেরত ও আবার মাল তোলা

    পণ্য ফেরত নিলে মূল বিক্রিতে ধরা লাভ ও ভ্যাট সেই অনুযায়ী বাদ যায়। আবার কোন মাল কিনতে হবে, তালিকা দেখে ঠিক করুন। কম বিক্রি হওয়া মালের হিসাব এখন পরীক্ষামূলকভাবে আছে।

    কাজটি যেভাবে হয় ↗

ক্রেতার কেনাকাটা ও হিসাব

প্রথম বিল থেকে শেষ টাকা আদায়—ক্রেতার পুরো হিসাব এক জায়গায়।

  1. ক্রেতাকে চিনে রাখুন

    ক্রেতার তথ্য রাখুন, পছন্দের ব্র্যান্ড দিন, নিয়মিত ক্রেতার আগের অর্ডার আবার নিন।

    কাজটি যেভাবে হয় ↗
  2. অর্ডার দিন, দাম পরিশোধ করুন বা অগ্রিম জমা রাখুন

    নগদ টাকা, মোবাইল ব্যাংকিং বা অ্যাপে থাকা অন্য মাধ্যমে দাম নিন। পরে মাল নেবেন এমন ক্রেতার অগ্রিম জমা রাখুন। মাল দেওয়ার সময় সেই টাকা বিলে ব্যবহার করুন, ফেরত দিন বা পরের কেনাকাটার জন্য রাখুন।

    কাজটি যেভাবে হয় ↗
  3. বিল, রসিদ ও বাকির হিসাব

    ৮০ মিমি, A5 বা A4 আকারে বিল ছাপান, PDF রাখুন বা WhatsApp-এ পাঠান। বিলে আপনার নির্ধারিত ভ্যাটের হিসাব থাকবে। ক্রেতা কত টাকা পর্যন্ত বাকি নিতে পারবেন ও কবে শোধ করবেন, ঠিক করুন। কত দিন ধরে টাকা পাওনা আছে, তালিকায় দেখুন।

    কাজটি যেভাবে হয় ↗
  4. বাকি আদায় ও ফেরত

    বাকি আদায়ের টাকা দিয়ে আগে সবচেয়ে পুরোনো বাকি শোধ হয়। WhatsApp-এ বাকি শোধের কথা মনে করিয়ে দিন। মাল ফেরতের টাকা নগদে বা বিকাশে দিন, অথবা ক্রেতার পরের কেনাকাটার জন্য জমা রাখুন।

    কাজটি যেভাবে হয় ↗

একটি বিক্রিতেই মজুত, বাকি ও টাকার হিসাব আপডেট হয়।

বিক্রি, খরচ, মজুত, ছাড়, ভ্যাট ও দাম নেওয়া একসঙ্গে লেখা হয়। রাতে আরেক খাতা মেলাতে হয় না।

এক বিক্রি। পাঁচ জায়গায় হিসাব।

একটি নিশ্চিত বিক্রি
পুরোটাই জমা হবে, নয়তো কিছুই নয়
মজুত কমলখরচ লেখা হলোটাকা জমা হলো বা ক্রেতার বাকি বাড়লছাড় লেখা হলোভ্যাট লেখা হলো
বিক্রির পুরো হিসাব একসঙ্গে জমা হবে, নয়তো কিছুই হবে না। ছকটি নামান ↗

মাল আসার সঙ্গে খরচের হিসাব বদলায়।

তাকের মালের গড় খরচ আপনার দেওয়া দাম ধরে হিসাব হয়। ফ্রি মাল পরিমাণ বাড়ায়; ভাড়া খরচ বাড়ায়।

মজুতে থাকা মালের গড় কেনা দাম জানুন।

১০ কেজি × ৳৬০১০ কেজি × ৳৭০১০ কেজি × ৳৮০
৩০ কেজি · ৳২,১০০
গড় কেনা দাম: ৳৭০/কেজি
এই নমুনায় তিন দফা মাল আসার মাঝখানে বিক্রি হয়নি ধরে নেওয়া হয়েছে। ছকটি নামান ↗

সব রিপোর্টে একই মূল লেনদেনের হিসাব।

আজকের হিসাব, রিপোর্ট ও রসিদে একই মূল লেনদেনের তথ্য দেখা যায়। ভুল ঠিক করলে আলাদা সংশোধনের রেকর্ড হয়; পুরোনো হিসাব মুছে নতুন অঙ্ক বসানো হয় না।

সব জায়গায় একই অঙ্ক।

বিক্রিমাল নেওয়াফেরতখরচ
একটি মূল হিসাব
আজকের হিসাবরিপোর্টবিল ও রসিদ
প্রতিটি পর্দায় একই মূল হিসাব আসে। ছকটি নামান ↗

আপনার প্রশ্ন নিয়ে আসুন।

আপনার দোকানের কাজ দেখে নিই ↗

এগুলোও দেখে নিন

দোকানের কাজে লাগবে কি না, নিজেই মিলিয়ে দেখুন।

আসল ছবিটি খুলুন ↗