সরবরাহকারীদের হিসাব রাখুন
সরবরাহকারীর কাছ থেকে কেনা, ধাপে ধাপে মাল পাওয়া, ছাড় আর লেনদেনের বিবরণ—সব মিলিয়ে দোকানে আসা পণ্যের আসল খরচ রাখুন।
সরবরাহকারীর হিসাব দেখুন ↗মুদি, জেনারেল স্টোর ও আরও অনেক দোকানের জন্য।
একা চালান বা কর্মী নিয়ে—নিজের দোকান নিজেই সামলান। সরবরাহকারী, ব্র্যান্ড, কেনাকাটা, মজুত, বিক্রি, ক্রেতার বাকি আর টাকার হিসাব একসঙ্গে রাখুন।
কাউন্টারে বিক্রি করুন। দিন শেষে লাভের হিসাব দেখুন।
ট্যাব, ল্যাপটপ ও মোবাইল ↗

সীমার বেশি ছাড় → মালিকের অনুমতি।
অনুমতি নেওয়ার নিয়ম দেখুন ↗“আজ তো অনেক বিক্রি হলো। লাভ হলো কত?”
বিক্রির অঙ্ক চোখে পড়ে। কিন্তু নতুন চালান এলে কেনা দামও বদলায়।
“বিক্রি তো হলো। লাভ হলো কত?”
প্রতি বিক্রিতে কেনা দাম বাদ দিয়ে লাভ দেখুন।“ড্রয়ারে আবার টাকা কম!”
হিসাবের সঙ্গে নগদ মেলান। কমবেশি হলে কারণ লিখুন।“কার কাছে কত বাকি আছে?”
বাকি, পরিশোধের দিন আর আদায়—একসঙ্গে দেখুন।“তেলের কেনা দাম বাড়ল, বিক্রির দাম তো আগেরটাই।”
কেনা দাম বাড়লে কোন পণ্যের লাভ কমল, দেখুন।“এত ছাড় দিতে তো বলিনি!”
ছাড়ের সীমা ঠিক করুন। বেশি হলে আপনার অনুমতি লাগবে।“নিয়মিত ক্রেতার পছন্দের ব্র্যান্ডটাই নেই।”
ব্র্যান্ড ধরে মজুত দেখুন। না থাকলে অন্যটি দেখান।“কিনি বস্তায়, বেচি কেজিতে।”
বস্তার দাম আর খোলা কেজির হিসাব একসঙ্গে রাখুন।“ভিড় বাড়লেই বিক্রি ধীর হয়ে যায়।”
পণ্য খুঁজুন বা স্ক্যান করুন, পরিমাণ দিন, দাম নিন।এই আটটি কাজেই পাশে আছে Shopkeeper। যেভাবে কাজ করে দেখুন ↗
মুদি, জেনারেল স্টোর, স্টেশনারি, কসমেটিকস বা হার্ডওয়্যার—যে দোকানেই পণ্য কেনা, মজুত, বিক্রি আর টাকা আদায়ের কাজ চলে, Shopkeeper সেই কাজের হিসাব এক জায়গায় রাখে।
কেনা → মজুত → বিক্রি → টাকা আদায় → ফেরত ও হিসাব মেলানো
সরবরাহকারীর কাছ থেকে কেনা, ধাপে ধাপে মাল পাওয়া, ছাড় আর লেনদেনের বিবরণ—সব মিলিয়ে দোকানে আসা পণ্যের আসল খরচ রাখুন।
সরবরাহকারীর হিসাব দেখুন ↗পণ্যের ধরন, ব্র্যান্ড আর প্যাক অনুযায়ী তালিকা সাজান। ক্রেতার চেনা ব্র্যান্ড খুঁজে দিন, না থাকলে মজুতে থাকা বিকল্প দেখান।
ব্র্যান্ড ব্যবস্থাপনা দেখুন ↗আপনার ডিভাইসেই দোকানের কাজ
ট্যাবে ট্যাপ করে বিক্রি করুন, ল্যাপটপে কিবোর্ডের শর্টকাট ব্যবহার করুন। মোবাইলেও ছোট পর্দার উপযোগী করে সব সাজানো থাকে। যে ডিভাইসে আপনার সুবিধা, সেটিতেই কাজ করুন।

কাউন্টারে ট্যাব রাখুন। পণ্য বেছে নেওয়ার জন্য বড় বাটন পাবেন, ট্যাপ করে পরিমাণ বদলান। ওজন বা টাকার অঙ্ক ধরে বিক্রির জন্য পর্দাতেই সংখ্যার বাটন পাবেন।

পণ্য খুঁজুন, বারকোড স্ক্যান করুন বা 3*egg লিখুন। কিবোর্ড মোডে শর্টকাট আর বিক্রির তালিকা চোখের সামনেই থাকে।

মোবাইলের ছোট পর্দাতেও বিক্রি করুন। কাউন্টার থেকে দূরে থাকলে দোকানের খবর দেখুন, অনুমোদনের অনুরোধ যাচাই করুন। অঙ্ক লেখার সময় মোবাইলের নিজের কিবোর্ডই খুলবে।
নমুনা তথ্য দিয়ে সাজানো রহিম স্টোরের হিসাব দেখুন। ছবিগুলো আসল অ্যাপের; আপনার দোকানেও একই ফল হবে—এমন দাবি নয়।
দোকানে ভিড় থাকলেই যে ভালো লাভ হচ্ছে, তা নয়। ক্রেতা কত দিলেন, তার পাশে পণ্যটি কিনতে কত পড়েছে—দুটিই রাখে Shopkeeper।

হাতে থাকা টাকা গুনে হিসাবের সঙ্গে মেলান। টাকা কম হলে কারণসহ ঠিক না করা পর্যন্ত সেই গরমিল দেখা যাবে।

শুধু মোট বাকি জানলে কার কাছে টাকা চাইবেন, বোঝা যায় না। প্রত্যেক ক্রেতার কত বাকি, কবে শোধ করার কথা ও আগে কত আদায় হয়েছে—একসঙ্গে দেখুন।

খরচের পাশে লাভের হিসাবও দেখুন
কোন মালে টাকা লাগাবেন, কোন দাম দেখবেন, কাকে তাগাদা দেবেন—রোজকার এই সিদ্ধান্তে পাশে থাকে Shopkeeper।
নতুন মাল কেনার পর গড় কেনা দাম বদলায়। কোন পণ্যের বিক্রির দাম লক্ষ্যমাত্রার লাভ দিচ্ছে না, প্রস্তাবিত দামসহ দেখুন। দাম বদলাবেন কি না, সিদ্ধান্ত আপনার।
কীভাবে কাজ করে দেখুন ↗আসল বিক্রির গতি আর হাতে থাকা মাল দেখে পরের কেনাকাটা সাজান। আন্দাজের বদলে কোন মাল কতটা দরকার তা বুঝে অর্ডার দিন।
কীভাবে কাজ করে দেখুন ↗ক্রেতার পছন্দের ব্র্যান্ড আগে দেখুন, আগের অর্ডার আবার নিন। পছন্দের ব্র্যান্ড না থাকলে মজুত থাকা বিকল্পের দামের পার্থক্য দেখুন।
কীভাবে কাজ করে দেখুন ↗কার কত বাকি, কবে পাওয়ার কথা—একসঙ্গে দেখুন। WhatsApp-এ তাগাদা দিন। কর্মীর ছাড়ের সীমা ঠিক করুন; বেশি ছাড়ে অনুমতি লাগবে।
কীভাবে কাজ করে দেখুন ↗কোন মাল ধীরে বিক্রি হচ্ছে, কত দিন বিক্রি হয়নি আর কত টাকার মজুত পড়ে আছে তা দেখে পরের কেনাকাটা ভাবুন। এই সুবিধা পরীক্ষামূলক।
কীভাবে কাজ করে দেখুন ↗বোঝানোর জন্য উদাহরণ · কোনো বাস্তব দোকানের ফলাফল নয়
ধরা যাক, চলতি মাল কেনার টাকা আটকে আছে বাকিতে এবং দোকানে সেই মালের চাহিদা আছে। Shopkeeper তথ্য ও হিসাব এক জায়গায় দেয়; তাগাদা দেওয়া, টাকা পাওয়া, কেনা ও বিক্রি করা আপনার কাজ।
বাকি তালিকা দেখে তাগাদা দিলেন। ক্রেতা পুরোনো পাওনা থেকে ৫,০০০ টাকা দিলেন। টাকা পাওয়ার পর আদায় লিখলেন। এটি নতুন লাভ নয়—আগের আটকে থাকা টাকা হাতে এল।
বাকি আদায়ের সুবিধা দেখুন ↗বিক্রির গতি ও হাতে থাকা মজুত দেখে প্রয়োজন মিলিয়ে নিলেন। ওই টাকা থেকে ৮০ টাকা দরে ৫০টি পণ্য কিনলেন: খরচ ৪,০০০ টাকা। বাকি ১,০০০ টাকা হাতে থাকল।
পুনরায় কেনার হিসাব দেখুন ↗ধরা যাক, ৫০টি পণ্যই ১০০ টাকা দরে নগদে বিক্রি হলো। বিক্রি ৫,০০০ টাকা − কেনা দাম ৪,০০০ টাকা = মোট লাভ ১,০০০ টাকা। বাকি আদায়ের ৫,০০০ টাকা এখানে আবার লাভ হিসেবে যোগ করা হয়নি।
বিক্রির লাভের হিসাব দেখুন ↗৳১,০০০ − ৳৪৯৯ = ৳৫০১
এটি নতুন পণ্যগুলোর মোট লাভ থেকে এক মাসের মূল ফি বাদ দেওয়ার হিসাব। কর্মী, পরিবহন, কর, ছাড়, ফেরত, নষ্ট মাল ও অন্য খরচ বাদ যায়নি। এটি নিট লাভ নয়।
আদায় ৫,০০০ − কেনা ৪,০০০ + নগদ বিক্রি ৫,০০০ = হাতে ৬,০০০ টাকা, সাবস্ক্রিপশন ও অন্য খরচের আগে। পুরোনো পাওনা নগদ হলো, তারপর নতুন বিক্রিতে ১,০০০ টাকা মোট লাভ হলো।
এই বিক্রি অ্যাপ ছাড়াও হতো কি না, তা না জানলে পুরো লাভকে অ্যাপের কারণে পাওয়া বলা যাবে না। নিজের আগের হিসাবের সঙ্গে মিলিয়ে তবেই উপকার মাপুন।
সুবিধাগুলো পণ্যের কোড ও নমুনা পর্দার সঙ্গে মিলিয়ে লেখা হয়েছে। উদাহরণের টাকার অঙ্ক কোনো দোকানের মাপা ফল নয়।
আসল অ্যাপের কাজ দেখুন ↗ছাড় দিয়ে কয়েকটি পণ্য একসঙ্গে বিক্রির প্যাকেজ ও পোস্টার তৈরির সুবিধা আসছে। এখন কোন মাল কম বিক্রি হচ্ছে দেখে নিজে সিদ্ধান্ত নিন; অ্যাপ এখনো স্বয়ংক্রিয় অফার বানায় বা বিক্রি বাড়ানোর নিশ্চয়তা দেয় না।
সকালের টাকা গোনা থেকে রাতের শেষ বিক্রি—দেখুন, কাজের সঙ্গে সঙ্গে কীভাবে হিসাব তৈরি হয়।
ক্যাশবাক্সে কত টাকা আছে, আগে গুনে লিখুন। তারপর অ্যাপের হিসাবে কত থাকার কথা, তা দেখে মিলিয়ে নিন।

পণ্য খুঁজুন, ওজন দিন, ছাড় দিন, কয়েকভাবে টাকা নিন। কেনা দাম, মজুত, নগদ আর বাকি—সব হিসাব বিক্রির সঙ্গেই থাকে।

দশ কার্টনের সঙ্গে এক কার্টন ফ্রি? ভাড়া আর সরবরাহকারীর ছাড়সহ আসল কেনা দাম বের হয়। লাভ কমে গেলে বিক্রির দাম একবার দেখে নিন।

নগদ গুনুন, গরমিল মেটান, তারপর দিনের হিসাব বন্ধ করুন। বিক্রি, পণ্যের লাভ, বাকি আর নগদ একসঙ্গে দেখুন।

দোকানদার, পণ্য আর ক্রেতা—তিন দিক থেকেই পুরো কাজ দেখুন।
দোকানের কাজ তিন দিক থেকে দেখুন ↗তাক ভরা থাকলেই ভালো ব্যবসা হয় না। কোন মাল দ্রুত চলে, কোনটা কম চলে আর কোনটা অনেক দিন পড়ে আছে—দেখে ঠিক করুন কী তুলবেন আর কোনটায় নজর দেবেন।
আপনার নির্ধারিত সর্বনিম্ন মজুতে পৌঁছানোর আগেই জানতে পারবেন—এখন যে হারে বিক্রি হচ্ছে, তাতে কোন মাল শিগগির ফুরিয়ে যেতে পারে।
তাক খালি হওয়ার আগেই আবার কেনার পরিকল্পনা করুন। ↗বিক্রির গতির সঙ্গে হাতে থাকা মজুত মেলান। সামনে যতটা বিক্রি হওয়ার সম্ভাবনা আছে, তার তুলনায় বেশি মাল জমে আছে কি না দেখুন।
আবার কেনার আগে পরিমাণ দেখে নিন। ↗অনেক দিন বিক্রি হয়নি এমন মাল খুঁজুন। অনুমতি থাকলে কেনা দামে কত টাকা আটকে আছে, সেটিও দেখুন।
আরও মাল তোলার আগে কোনটায় নজর দেওয়া দরকার, ঠিক করুন। ↗ভুল ঠিক করলে আলাদা সংশোধনের রেকর্ড হয়। কে কখন কী করেছেন, তাও লেখা থাকে।
পয়সা পর্যন্ত নির্ভুল অঙ্ক
প্রতি কাজের রেকর্ড
আবার চেষ্টা করলেও একই বিক্রি দুবার নয়
পুরোনো বাকি নিয়ে শুরু করা, প্যাকেজ অফার আর ছাড়ের বিস্তারিত রিপোর্ট এখনো চালু হয়নি। পরিকল্পনাটা দেখে নিন।
আসল নমুনা অ্যাপের ছোট ভিডিও, সঙ্গে ক্যাপশন ও লিখিত ধাপ। আপনি চাইলে তবেই ভিডিও চলবে।
পর্দার সংখ্যার বাটনে প্রথমে ৫০০ গ্রাম, তারপর ৫০ টাকা লিখে চালের হিসাব দেখুন। বিলে যোগ করার আগেই ভিডিও থামে।
কাল্পনিক নমুনা তথ্য। ভিডিওগুলো আলাদা কাজের ধাপ দেখায়, সম্পন্ন বিক্রি বা কোনো ক্রেতার মতামত নয়।
অ্যাপের কাজ ভিডিওতে দেখুন ↗কাজ দেখুন, উদাহরণ পড়ুন, তারপর নিজের প্রশ্ন নিয়ে আসুন।
শুরু করার আগে কয়েকটি বিষয় জেনে রাখা ভালো।
বিল করার অ্যাপ বিক্রির রেকর্ড রাখে। Shopkeeper-এ সেই সঙ্গে কেনার খরচ, মজুত, বাকি ও টাকা আসা-যাওয়ার হিসাবও থাকে। তাই ওই বিক্রিতে আসলে কত লাভ হলো বুঝতে পারবেন।
কাউন্টারে পণ্য খুঁজবেন বা স্ক্যান করবেন, পরিমাণ দেবেন, তারপর দাম নেবেন। চাইলে শর্টকাট ব্যবহার করবেন; পর্দায় দেখানো আছে। বিক্রির সঙ্গে মজুত ও টাকার হিসাবও আপডেট হয়।
কেনা দাম ও লাভের হিসাব দেখতে আলাদা অনুমতি লাগে। কর্মীরা নিজের বিক্রি দেখেন। ম্যানেজার কী বাড়তি দেখতে পারবেন, মালিক ঠিক করবেন।
এক বিলের টাকা নগদে, বিকাশে, নগদ (Nagad), কার্ডে বা ব্যাংকে ভাগ করে নিতে পারবেন; কিছু টাকা বাকিও রাখা যাবে। প্রতিটি মাধ্যমের হিসাব, টাকা স্থানান্তর ও ফি আলাদা লেখা থাকে।
হ্যাঁ। প্রতি বস্তা বা প্যাকে কত মাল থাকে ও তার দাম কত, ঠিক করে দিন। পুরো প্যাকের পরিমাণ বিক্রি হলে অ্যাপ সেই প্যাকের দাম ধরবে। মজুত বস্তা আর খোলা ওজন মিলিয়ে দেখা যাবে।
বিক্রি করতে ইন্টারনেট লাগবে। আবার চেষ্টা করলে একই বিক্রি দুবার জমা হবে না।
এখন কীভাবে বিক্রি আর হিসাব রাখেন, বলুন। আপনার প্রশ্ন ধরে কাউন্টার, বাকি আর হিসাবের কাজ দেখাব।
WhatsApp-এ কথা বলুন ↗